আপনারা যারা এনড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন তারা কমবেশি Emulator সাথে পরিচিত আছেন আবার কেউ যদি পরিচিত না হয়ে থাকেন তাহলে জেনে নিন। এমুলেটর খুব জনপ্রিয় সফটওয়্যার সিস্টেম যা অন্য কোন হার্ডওয়্যার এ এসে আলাদা একটি ডিভাইস এর মত ব্যাবহার করতে পারে। আপনি আমাদের ভারচুয়াল মেশিন লিখাটি দেখলে এই সম্পর্কে ধারনা পাবেন । বলে রাখা ভাল আপনি চাইলে আমাদের ভার্চুয়াল সিস্টেম ব্যাবহার করে RDP বা পিসি ও রিমোটলি চালাতে পারবেন।
ইমুলেটর এর সাহায্যে কম্পিউটারে আপনার মোবাইল ডিভাইস টির মত এনভারমেন্ট তৈরি করতে পারবেন এবং যেকোনো এপ্স বা গেম উপভোগ করতে পারবেন। ইমুলেটর আপনার কম্পিউটারে এক্সেস দিয়ে সহায়তা করবে। তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনারা আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বা ডাটা এমুলেটরের সাহায্যে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ট্রান্সফার করতে পারবেন।
এমুলেটর নিয়ে আজকের আলোচিত বিষয়গুলোঃ
- এমুলেটর কি?
- এমুলেটর কিভাবে কাজ করে?
- এমুলেটরের ব্যবহার
ইমুলেটর / এমুলেটর কি?
ইমুলেটর / এমুলেটর মানেই হলো অনুকরণ করা, আরেকটু সহজ ভাবে বলতে গেলে এক ডিভাইসের ডাটা এপ্লিকেশন অন্য একটি ডিভাইস এ রেপ্লিকা তৈরি করা।
এনড্রয়েড এমুলেটরঃ এই এমুলেটর ফোনের অপারেটিং সিস্টেম কে অন্য একটি ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমে কনভার্ট করে দেয়।
➤ কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন?
কম্পিউটারে হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারে এমুলেটরে কম্পিউটার গেস্ট হিসেবে কাজ করে ও এনড্রয়েডে এক্সেস দেয়।
তাই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে শেয়ারিং এর কাজ করতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় যা সম্পূর্ণ ইমুলেটর সিস্টেমটির সাথে জড়িতঃ
- সিপিইউ এমুলেটর
- মেমোরি সাব সিস্টেম এমুলেটর
- ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস এমুলেটর
এমুলেটরের ব্যবহারঃ
এমুলেটর সবচেয়ে বেশি বেবহৃত হয় গেমিং করা অথবা ভিন্ন একটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করা জন্য । উধাহরন হিসেবে বলতে পারেন - আপনি ইমুলেটর এর মাধ্যমে আপনার উইন্ডোজ এ ম্যাক অথবা ম্যাক এ উইন্ডোজ চালাতে পারবেন।
যেই অ্যাপ গুলো সরাসরি কম্পিউটার এ ব্যাবহার করতে পারেন না সেইগুলো এমুলেটর এর সাহায্যে খুব সহজেই ব্যাবহার করতে পারবেন।
কিছু ইমুলেটর তো হার্ডওয়ার এর পারফর্মেন্স সরাসরি বাড়াতে সাহায্য করে, উধাহরন হিসেবে বলা যায় পুরাতন ভিডিও গেম গুলো হাই ফ্রেমরেট ও রেসুলেশন দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন।
এছাড়াও কিছু ব্রাউজার বেসড ইমুলেটর আছে যা আপনি পিসি বা ফোন এর কোন রিসোর্স ব্যাবহার ছাড়াই উপভোগ করতে পারবেন।
এমুলেটরের এর কিছু লিমিটেশন ও সমস্যাঃ
- সাধারণত বাচ্চারা গেমের উপর বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছে দিনের পর দিন। ফ্রি ফায়ার বা পাবজির মতো কিছু গেম তাদের আসক্ত করে ফেলছে তথাপি ইন্টারনেট এর উপর আকর্ষন বাড়িয়ে তুলছে।
- মোবাইল ইমুলেটরে যেহেতু আপনি একটি সফটওয়্যার সিস্টেম ব্যাবহার করছেন আপনি সিম,কল ও ম্যাসেজ এর মত খুব সাধারণ জিনিস গুলো ব্যাবহার করতে পারবেন না।
এমুলেটর ব্যবহার করে আপনারা এক উইন্ডোজ থেকে অন্য উইন্ডোজের অপারেটিং সিস্টেমের এপ্লিকেশনে পরিবর্তন আনতে পারবেন। তাছাড়া বাজারে এমুলেটরের ভালোই চাহিদা রয়েছে। উপরে বর্নিত এমুলেটর কিভাবে কাজ করে ও ব্যবহার করার উপায় নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনারা এমুলেটর নিয়ে কিছুটা হলেও জানতে পেরেছেন। আজ এ পর্যন্তই। ধন্যবাদ।